নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্ধমান ১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যেগে ও বেলকাশ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সহযোগিতায় এলাকার প্রবীণ নাগরিকদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান। এই নাগরিক সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান বর্ধমান ১ নং ব্লকের প্রত্যেকটি অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানটি শুরু হয় সরাইটিকর অঞ্চলে এবং সমাপ্তি হয় বেলকাশ অঞ্চলের অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে। সভায় ষাটোর্ধ্ব নাগরিকদের মধ্যে সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বিশেষ লক্ষ্য করা যায়। বেলকাশ অঞ্চলের আমতলায়, এই প্রথম ব্লক স্তরের কোনও উচ্চ পর্যায়ের সভা হওয়ায় এলাকার মানুষজন খুশি। সভাস্থলে উপস্থিত প্রত্যেক নাগরিকের জন্য মিষ্টির প্যাকেট, গোলাপ ফুল এবং একটি করে উত্তরীয় পরিয়ে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়।
উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান উত্তর বিধানসভার বিধায়ক নিশিথ কুমার মালিক, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি গার্গী নাহা, বর্ধমান ১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মানস ভট্টাচার্য, পূর্ব বর্ধমান জেলার সহ-সভাপতি কাকুলী গুপ্ত তা, বর্ধমান ১ ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মানব রায়, তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি রানা ভট্টাচার্য, বেলকাশ পঞ্চায়েতের প্রধান রেজিনা বিবি, সারা বাংলা তৃণমূল শিক্ষা বন্ধু সমিতির সহ-সভাপতি সৌমেন চক্রবর্তী, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মহ সাদ্দাম হোসেন ছাড়াও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ববৃন্দ।
এর আগেও আমতলার সদস্য কেন্দ্রের পক্ষ থেকে এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষজনদের নিয়ে দেবী দুর্গা দর্শনের উদ্দেশ্যে বর্ধমান থেকে বড়শুল বাসে করে নিয়ে যাওয়া হয়। এলাকার শিক্ষকদের, ডাক্তারদের এবং কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদেরও সম্বর্ধনা দিতে বিগত দিনে দেখা গিয়েছেন।
এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য সন্তু ঘোষ বলেন, প্রবীণ নাগরিকদের সম্বর্ধনা দিতে পেরে আমরা খুবই খুশি।দুর্গা উৎসবের সময় এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষজনদের নিয়ে বাসে করে দেবী দুর্গা দর্শনের উদ্দেশ্যে বর্ধমান ভ্রমণ করেছিলাম।
এলাকার আর এক পঞ্চায়েত সদস্যা অনিতা পাল জানান, আমরা বিশিষ্ট নাগরিকদের আগেও সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করেছি। শিক্ষক দিবসে শিক্ষকদের সম্বর্ধনা, ডক্টর দিবসে ডাক্তারদের সম্বর্ধনা এবং এলাকার কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদেরও সম্বর্ধিত করেছি।







