নিজস্ব প্রতিনিধি: শারদীয়া দুর্গাপূজা উৎসব শেষ। গতকাল পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরের ২৮ টি বড় পূজা মন্ডপ কমিটিকে নিয়ে বর্ধমান জেলা প্রশাসন বর্ধমান শহরে দুর্গা কার্নিভাল অনুষ্ঠিত করে। আজ কলকাতা রেড রোডে পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তুতিতে রাজ্যের প্রধান কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয়। আজ দুপুর ২ নাগাদ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত করল। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই এই নির্দেশিকা জারি করেছিল। রাত পেরোলেই লক্ষ্মী পূজা। বাংলার প্রতিটি বাড়িতে এই লক্ষ্মী পূজার আয়োজন করা হয়।
সংস্কৃতি লোক মঞ্চে জেলার মূল বিজয়া সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান পূর্ব লোকসভার সাংসদ শর্মিলা সরকার, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, রাজ্য এস.টি. শাখার চেয়ারম্যান দেব টুডু, জেলা পরিষদের শেখ ইসমাইল, জেলা পরিষদের প্রত্যেকটি সদস্য, প্রত্যেকটি ব্লক সভাপতি এবং বিধায়ক অন্যান্য নেতৃত্ব গন।
বক্তব্যের শুরুতেই জেলার সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পরমেশ্বর কোনার কে কারণ দর্শাতে বললেন। কি কারনে, গতকাল ব্লকের ৬ জন নেতৃত্বকে তিন বছরের জন্য বহিষ্কার করেছিলেন। এবং আজকের বিজয় সম্মেলনের বক্তব্যের লাইন টেনে দেন। কোন রাজনৈতিক বক্তব্য রাখা যাবে না। সংক্ষেপে বিজয়ের সম্মেলনের শুভেচ্ছা জানাতে হবে। এই সম্মেলনে জেলার প্রত্যেকটি বিধায়ক বক্তব্য রাখেন। পাশাপাশি সাংসদ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি এবং প্রত্যেকটি শাখা সংগঠনের প্রধান কে তার বক্তব্য রাখতে দেখা যায়। এরপর ব্লকে ব্লকে বিজয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে
এদিনের সম্মেলনে উপস্থিত প্রত্যেকটি কর্মী এবং নেতা-নেত্রীদের মিষ্টির প্যাকেট দিয়ে, শুভ বিজয়ার মিষ্টিমুখ করাতে দেখা গেল।
