নিজস্ব প্রতিনিধি: শারদীয়া উৎসব শেষ। মা দুর্গার বিসর্জন হয়েছে। মা দুর্গার বিসর্জন থেকে কালীপুজোর আগে পর্যন্ত এই সময়ে বিজয়ার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন একে অপরের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার রীতি রয়েছে। বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা উৎসব। এই দুর্গা উৎসব এবারের বিধানসভা ভোটের আগের শেষ উৎসব। দূর্গা উৎসব যেহেতু সবথেকে বড় উৎসব। এই উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাঙালি আবেগ, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। বাঙালির এই আবেগ ও সংস্কৃতিকে সামনে রেখে কোন রাজনৈতিক দলই পিছিয়ে থাকতে চাইছে না। প্রত্যেকেই চাইছে এই আবেগকে সামনে রেখে বাঙালি এবং বাংলার মানুষের মন জয় করতে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেমন এই উৎসবে তাদের বুক স্টল ও বিভিন্ন রকম সহযোগিতার বার্তা দিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছে। বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস কোন অংশে পিছিয়ে নেই, এই বাঙালি আবেগের শান দিতে। রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় ঘটা করে রাজ্য সরকার কার্নিভাল পালন করেছে। এবার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এই বিজয়ী উৎসবকে সামনে রেখে জেলা এবং ব্লকে ব্লকে তারা সংগঠন মজবুত করার অন্যতম পন্থা হিসেবে গ্রহণ করেছে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রত্যেকটি ব্লক ধরে বিজয় সম্মেলনে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত করছে। আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন প্রত্যেকটি বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানে কলকাতা থেকে এক একজন বিশিষ্ট নেতৃত্বকে পাঠানো হবে। সেইমত আজ রায়না ২ নং ব্লকের বিডিও অফিস প্রাঙ্গনে এক বিরাট বিজয়া সম্মেলনের আয়োজন করেছে, দল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রধান উদ্যোক্তা রায়না ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৈয়দ কলিমুদ্দিন ও রায়না বিধানসভার বিধায়িকা শম্পা ধারা। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র জয়া দত্ত, রাজ্য আদিবাসী শাখার চেয়ারম্যান দেবু টুডু, পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের মেন্টর শেখ ইসমাইল, পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি রাসবিহারী হালদার, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মহ সাদ্দাম হোসেন, তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সন্দীপ বসু, জেলা সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম ছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ববৃন্দ।
তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র জয়া দত্তর বক্তব্য:
প্রত্যেক নেতৃত্ব বিজয়ার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের অসহযোগিতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সম্মেলনে উপস্থিত প্রত্যেকের জন্য মিষ্টিমুখের ব্যবস্থা করা হয়
