নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের উদ্যোগে বিরাট বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো বেলকাশ অঞ্চলের নবাবহাট ট্রাফিক মোড়ে। প্রত্যেক বছর দূর্গা পূজার আগে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষদের জন্য এবং ঈদের আগে সংখ্যালঘু শ্রেণীর মানুষ জনদের জন্য বস্ত্র বিতরণের আয়োজন করা হয়।
এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ মেন্টর শেখ ইসমাইল, জেলা পরিষদ সহ-সভাধিপতি গার্গী নাহা, বর্ধমান উত্তর বিধানসভা বিধায়ক নিশিত কুমার মালিক, রাজ্য আদিবাসী শাখার চেয়ারম্যান দেবু টুডু, বর্ধমান ১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মানষ ভট্টাচার্য ছাড়াও যুব, মহিলা ও শ্রমিক সংগঠনের। সভাপতি বৃন্দ।
বর্ধমান ১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মানষ ভট্টাচার্য এই বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান থেকেই ঘোষণা করেন বর্ধমান ১ ব্লকের সরাইটিকর গ্রাম পঞ্চায়েতের দেওয়ানদিঘি মাঠে এ যাবত কালের সেরা বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। যা আগে কোনো দিন দেখা যায় নি।
বর্ধমান উত্তরের বিধায়ক নিশিত মালিকের মুখে বেলকাশ অঞ্চলের নেতা দিলীপের বার বার সুনাম করতে দেখা যায়। তার সাংগঠনিক দক্ষতার প্রশংসা করতে দেখা গেলো। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের মেন্টর শেখ ইসমাইল বলেন, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব, দূর্গা উৎসবে আনন্দ করার পাশাপাশি সম্প্রীতি বজায় রাখারও পরামর্শ দেন।
বীরভূম জেলা সভাধিপতি কাজল শেখের বক্তব্য:
বীরভূম জেলা পরিষদের সভাপতি কাজল শেখ বলেন পশ্চিমবঙ্গে ২০১১ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাংলার অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে। কোভিড ভাইরাসের সময় যখন বিশ্বের মানুষ খাবার পাচ্ছিল না। তখন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয় সকলের অন্নের ব্যবস্থার করার পাশাপাশি তিনি বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা উৎসবের জন্য অনুদান দেওয়া শুরু করেন। ইলেকট্রিক বিদ্যুতের যোগাযোগের খরচ কমান। এবছর অনুদানের পরিমান ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। বিদ্যুতের খরচে ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়।
তবে আজকের অনুষ্ঠানে ভিড় সামলাতে হিমসিম খেতে হয় উদ্যোক্তাদের। দুর্গাপূজার প্রাক্কালে নতুন জামা কাপড় প্রত্যেকে পেয়ে আনন্দিত।
